জি পি এফ সোসাইটি

জি পি এফ সোসাইটি একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক শিক্ষা, দাওয়াহ ও পূর্ণত মানবকল্যাণে নিবেদিত সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠান মানবতার শিক্ষক, মানুষের মুক্তি ও শান্তির দূত, মানবসেবার আদর্শ, মহানবী মুহাম্মদ সা.-এর পদাঙ্ক অনুসরণ করে আর্তমানবতার সেবা, সমাজ সংস্কার, মহত্তম নীতিচেতনার সঞ্চার, কর্মসংস্থান তৈরি, দারিদ্র্য বিমোচন, ইসলামী তমদ্দুনের প্রসার, বহুমুখী শিক্ষায়ন প্রকল্প পরিচালনা, ত্রাণ বিতরণ, স্বল্পমূল্যে বা বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান, পরিচ্ছন্ন মানসিকতা গঠনে নিরন্তর নানা কর্মসূচি পালন, সর্বোপরি মৌখিক, লৈখিক ও আধুনিক সকল প্রচারমাধ্যম ব্যবহার করে মানুষকে মহান আল্লাহর আনুগত্য ও তাঁর রাসূলের অনুকরণে সত্য ও শান্তির পথে ডেকে এনে একটি আদর্শ কল্যাণসমাজ বিনির্মাণে যথাশক্তি প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে

সাস্থ‍্য সেবা

সুন্দর স্বাস্থ্য ও সুস্থতা আল্লাহ তায়ালার বিশেষ নেয়ামত।শরীরকে রোগমুক্ত করে সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার প্রচেষ্টাই হলো স্বাস্থ্যসেবা। মহান আল্লাহই মানুষের জীবন ও মৃত্যুর মালিক। কেউ যেমন জীবন দিতে পারে না, তেমন মৃত্যুও স্থগিত করতে পারে না। তবে স্বাস্থ্যসেবা নির্ধারিত মৃত্যুর সময় আসা পর্যন্ত জীবনকে সুস্থ, স্বাভাবিক, সুন্দর ও সচল রাখতে সাহায্য করে।রোগব্যাধি মানুষের হাসি-আনন্দ ম্লান করে দেয়। রোগীসহ পুরো পরিবার মানসিক কষ্টে পড়ে যায়। এক ডাক্তার থেকে অন্য ডাক্তার, এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতাল দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়। এর সঙ্গে আর্থিক সংকট থাকলে তাদের আরো ভেঙে পড়তে দেখা যায়।বর্তমানে বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ দারিদ্র সীমার নিচে অবস্থান করায় উন্নত চিকিৎসা প্রায় সময়ই সম্ভব হয়ে উঠেনা। কারণ একজন ডাক্তারের ভিজিট এবং বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা অনেকটা ব্যয় বহুল ফলে সাধারণ মানুষ বঞ্চিত হয় তাদের এক মৌলিক অধিকার থেকে। এ সকল সুবিধা বঞ্চিত মানুষদের স্বাস্থ্য সেবার লক্ষ্যে আমরা চেষ্টা করছি যত কম খরচে সম্ভব উন্নত সেবা দানের। তাই আমাদের এই প্রতিষ্টানের পক্ষ থেকে ল‍্যাব টেস্ট এবং ডাক্তার ফী বাবতে যতটুকু সম্ভব একটা কমিশন  ছাড় পাওয়ার ব‍্যবস্তা করা হবে এটি মানুষের একটি আবশ্যক চাহিদা পূরনে কিছুটা হলেও সাহায্য করবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

কোচিং সেণ্টার

যে জাতি যত বেশি শিক্ষিত, সে জাতি তত বেশি উন্নত। শিক্ষা ছাড়া উন্নত রাষ্ট্র বিনির্মাণ কল্পনামাত্র। বলা হয়, কোনো জাতিকে ধ্বংস করতে চাইলে তার শিক্ষাব্যবস্থাকে দুর্বল করে দিলেই হয়।ইসলামে শিক্ষার উদ্দেশ্য হলো আদম সন্তানকে মানুষরূপে গড়ে তোলা। যে শিক্ষা আত্মপরিচয় দান করে, মানুষকে সৎ ও সুনাগরিক হিসেবে গঠন করে এবং পরোপকারী, কল্যাণকামী ও আল্লাহর প্রতি অনুরাগী হতে সাহায্য করে, সে শিক্ষাই প্রকৃত শিক্ষা। শিক্ষা মানুষের অন্তরকে আলোকিত করে, অন্তর্দৃষ্টি উন্মোচিত করে, দূরদর্শিতা সৃষ্টি করে।শুরু থেকেই ইসলাম শিক্ষাকে প্রাথমিক মৌলিক বিষয়াবলির অন্তর্ভুক্ত বলে ঘোষণা করেছে। শিক্ষা ও জ্ঞানার্জনের জন্য পঠন-পাঠন অন্যতম মাধ্যম। নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি অহির প্রথম নির্দেশ ছিল, ‘পড়ো, তোমার রবের নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন, সৃষ্টি করেছেন আলাক থেকে। পড়ো, তোমার রব মহা সম্মানিত, যিনি শিক্ষাদান করেছেন লেখনীর মাধ্যমে। শিখিয়েছেন মানুষকে, যা তারা জানত না।’ -সুরা আলাক : ১-৫  সে ক্ষেত্রে প্রতিটা বাবা-মায়ের উচিত তাদের সন্তানকে সু-শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলার চেষ্টা করা। কিন্তু সামর্থ্য না থাকার কারণে অনেকের সেটা সম্ভব হয়ে উঠে না। দারিদ্রতার কারণে অনেক বাবা-মায়ের সেই স্বপ্ন পূরুণ করা সম্ভব হয় না। যার কারনে অনেক শিশু শিক্ষা থেকে বঞ্চিত থেকে যায়। যেখানে তাদের অন্ন-বস্ত্রের ব্যয়ভার কষ্ট-সাধ্য সেখানে তাদের শিক্ষা ব্যয় বহন করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পরে। তাই আমাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে নিম্ন আয়ের সকল পরিবারের শিশুদেরকে শিক্ষা কার্যক্রমে সহায়তা করা। তাই সেইসব পরিবারের কথা ভেবেই আমাদের এই প্রতিষ্টান অনলাইন কোচিং সেণ্টার ছালু করার উদ্দেগ নেওয়া হয়েছে কারণ আজকের শিশুই আগামীদিনের ভবিষ্যৎ।

কৃষি সেবা

খাদ্য যদি বিষাক্ত হয় তাহলে তো আর তাকে খাদ্য বলা যায় না। কৃষকের ফসলের মাঠ থেকে শুরু করে শহর-বন্দরের বাজার এবং শেষ পর্যন্ত ভোক্তার পাতে ওঠা পর্যন্ত যত রকম প্রক্রিয়াজাতকরণের মধ্য দিয়ে যেতে হয়, তার মধ্যে অনেক গলদ ঘটতে শুরু করেছে। খাদ্য আর স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ থাকছে না। দেখতে চকচকে, কিন্তু স্বাদ নেই, পুষ্টি নেই, নেই কোনো খাদ্যগুণ। উপরন্তু তাতে রয়েছে বিষাক্ত রাসায়নিক দ্রব্য। জীব জগতের সকল জীবই বেঁচে থাকার জন্য খাদ্য গ্রহণ করে থাকে।তাই প্রতিটি পরিবার যেন নিরাপদ খাদ‍্য উৎপাদন করে পরিবারের পুষ্টি চাহিদা পুরন করতে পারে তা নিয়ে আমাদের  এই প্রতিষ্টান কাজ করে যাবে তাই সে সকল পরিবারের পূষ্টি চাহিদা পুরোনের লক্ষ্যে সকল প্রকারের শাক ও সবজির বীজ ও চারা ফ্রীতে দেওয়া হবে এবং কৃষি বিষয়ে সব ধরনের পরামর্শ দেওয়া হবে

কর্মমূখি প্রশিক্ষণ 

জি পি এফ সোসাইটিএকটি অরাজনৈতিক ও অলাভজনক সেবামুখী প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠান এই দেশের বিশাল সম্ভাবনাময় জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরিত  করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। কর্মমুখি কারিগরি শিক্ষা গ্রহণ করে আত্মকর্মসংস্থান ও চাকুরির মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উন্নত ও জনসম্পদে উন্নতি করাই এই প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য। বিশ্ব অর্থনীতির ধারাবাহিকতায় দেশে ও বিদেশে প্রযুক্তিগত ও কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত ও দক্ষ জনশক্তির চাহিদা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে প্রযুক্তির অগ্রযাত্রা অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে চলেছে। প্রযুক্তি বাদ দিয়ে কোন দেশের উন্নয়নের চিন্তা করা বৃথা। বর্তমান সরকার দেশের বিশাল জনসংখ্যাকে জনশক্তিতে রূপান্তরের মাধ্যমে দেশকে মধ্যম আয়ের এবং উন্নত দেশে পরিণত করার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।তারি ধারাবাহিকতায় আমাদের এই প্রতিষ্টান ভিবিন্ন কর্মমূখি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের ব‍্যবস্থা করার উদ্বেগ নেওয়া হয়েছে

ডোনেশন

আমাদের প্রিয় নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এতিম ছিলেন। ফলে পিতা-মাতার আদর, স্নেহ, মমতার শূন্যতা কতটা গভীর- তা তিনি ষোলআনা উপলব্ধি করেছেন। তাঁর জীবনচরিত খুঁজলে দেখা যায়, তিনি এতিমদের খুব ভালোবাসতেন, আদর মমতায় জড়িয়ে নিতেন। এতিমদের ভালবাসা ইসলামের বিধান ও বৈশিষ্ট্য এবং আমাদের নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আদর্শ ও সুন্নাহ। একবার ঈদের দিন সকালবেলা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিন্নবস্ত্র পরিহিত, পুরো শরীর কাদায় মাখানো, একটি এতিম শিশুকে রাস্তায় দাঁড়িয়ে কাঁদতে দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে সাথে করে বাড়িতে নিয়ে আসেন এবং তাঁর পত্মী, উম্মুল মুমিনিন আয়েশা রা. কে বলেন, শিশুটিকে ভালভাবে গোসল করিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে দাও। আয়েশা রা. গোসল করানোর পর তিনি নিজ হাতে তাকে নতুন পোশাক পরিয়ে ঈদের নামাজ পড়তে নিয়ে গেলেন। আদর করে শিশুটিকে বললেন- আজ থেকে আমি তোমার বাবা আর আয়েশা তোমার মা।> বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি, এতিমের প্রতি প্রেম-মমতা, হৃদ্যতা-ভালবাসায়, ইতিহাসে কস্মিনকালেও আমার নবিজি থেকে অগ্রসর কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। প্রশ্ন থেকেই যায়- সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব, সায়্যিদুল মুরসালিন প্রিয় নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উম্মত হয়ে আমরা নিজেদের মাঝে তাঁর আদর্শ, মানবতাবোধ, মহানুভবতা কতখানি প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি বা লালন করে থাকি?আসুন, এতিমের প্রতি সদয় ও সহানুভূতিশীল হই, তাদের সাথে উত্তম আচরণ করি। তাদের অধিকার আদায়ে সচেষ্ট হই, এবং সর্বদা তাদের পাশে থাকি। আল্লাহ তায়ালা ও প্রিয় নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হুকুম পালন করে ইহ-পরকালীন কল্যাণ অর্জনে ব্রতি হই। মহান রব তাওফিক দান করুন।আর তাই আমাদের উদ্দেশ‍্য হচ্ছে এতিম ও অসহায়দের সেবা প্রদানে আমরা বদ্ধপরিকর। পিতা মাতার আদর স্নেহ শাসন বারন, দায়িত্ব পরায়নতা, বর্হিভূত থাকায় প্রায়ই নষ্ট হয়। তাদের সুন্দর শৈশব, কৈশর, যৌবন ফলে তাদের আত্মমর্যাদাতো লোপ পায়ই সাথে পরনির্ভরশীলতা ও বাড়ে। তাই তাদের স্বনির্ভর আত্মমর্যাদা সম্পন্ন সুনাগরিক হিসাবে গড়ে তুলতে আমরা তাদের বিনা মূল্যে পাঠ্যশিক্ষা ও কারিগরী শিক্ষা দানের মহান উদ্যোগ নিয়েছি। এটি তাদের ব্যক্তিক উন্নতিতো করবেই সাথে অত্র অঞ্চল ও জাতীয় পর্যায়ের উন্নয়নে ও দারুন ভূমিকা রাখবে বলে আমরা আশাবাদী।

অনলাইন শপ

আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করেছেন আর সুদকে হারাম করেছেন।ব্যবসা একটি নেক আমল
মোটকথা ব্যবসা যখন আমানতদারি, বিশ্বস্ততা এবং সততার সঙ্গে করা হবে তখন এটি নেক আমলে পরিণত হবে। দোজাহানের সর্দার সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও ব্যবসা করেছেন এবং ব্যাপক পরিসরে করেছেন। যাকে আজকাল ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড (International trade) বলা হয়। এ অঙ্গনে তিনি আমাদের জন্য অনেক আদর্শ রেখে গেছেন। যদি ঈমানদারি, আমানত ও সততা আমাদের মাঝে এসে যায় তবে ব্যবসায়িক কর্মকা-গুলো নেক আমলে পরিণত হবে।কিন্তুু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় যে আমাদের দেশে কিছু অসৎ ব্যবসায়ী আছে যারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পন্যের সংকট তৈরী করে জিনিস পত্রের দাম বাড়িয়ে দেয় অতিরিক্ত মুনাফা লোভী এই সব ব্যবসায়ীদের কারণে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের জীবন দূর্বিসহ হয়ে উঠেছে। বর্তমানে নিত্য পন্যের দাম যে হারে বাড়ছে তাতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষের সাধ্যের বাহিরে চলে যাচ্ছে। তাই আমাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে যত কম দামে পন্য সরবরাহ করা যায় তা নিয়ে আমাদের প্রতিষ্ঠান কাজ করে যাবে।

যারা এই সেবা গুলি পাবেন তারা হলেন

অভিভাবক যিনিবটবৃক্ষের ছায়ার ন্যায় জন্ম থেকে মৃত্যু অবধি অবিরাম ধারায় পরম যত্নে যিনি সংসারের সকল দায়িত্ব পালন করে থাকেন, এমন একজন ব্যক্তি যিনি পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য সারা দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে থাকেন এবং নিজের সব চাওয়া পাওয়া বঞ্চিত করে পরিবারের সকলের মুখের দিকে তাকিয়ে নিঃস্বার্থভাবে প্রতিনিয়ত কাজ করে যান। তেমনি একজন অভিবাবক এর দায়িত্ব হচ্ছে পরিবারের সকল সদস্যদের ভলো মন্দ সকল বিষয়ে খেয়াল রাখা যেমন সকলের নিরাপত্তা, শিক্ষা, চিকিৎসা, রোগমুক্ত রাখা স্বাস্থ্যবান হিসেবে গড়ে তোলা এবং জীবনের উন্নতি ও বিকাশকল্পে যথাসাধ্য প্রচেষ্টা চালানো অভিভাবকের কর্তব্য।আর এই কর্তব‍্য পালন করতে গিয়ে যা কিছু সেক্রিপাইছ করেন একজন নিম্ন ও মাধ‍্যম আয়ের ভলো মানের অভিভাবক তার 

কিছু গুনঃ-★তাদের শার্টগুলো বেশিরভাগ সময় মা-দের শাড়ি থেকে দামি হয়না।
★তাদের ওয়ারডপ ভর্তি শার্ট প্যান্ট থাকেনা।
★তাদের জুতা চলে বছরের পর বছর।
★মোবাইলটা ও একবারে নষ্ট না হলে বদলান না। ★ঘড়িটা বৃদ্ধ হয়, তবুও হাতেই থাকে…
★একা খেতে হলে সবচাইতে সস্তা হোটেল খোঁজে।
★একা কোথাও গেলে বাসে চড়ে, রোদ বৃষ্টি মাথায় নিয়ে সঞ্চয় করে।
★ বউ সন্তানকে সাধ্যের সবচেয়ে দামি জিনিসগুলো কিনে দেয়।
★তারা একান্ত বাধ্য না হলে কখনো না বলে না।
★নিজের জন্য সবচেয়ে কৃপণ বাবাটা তার সন্তানদের জন্য সবচেয়ে বেহিসাবি।
★বেশিরভাগ বাবাই ভালোবাসি শব্দ বলতে জানেন না, করতে জানে.।
★তারা আজীবন তাদের ভাগের বিলাসিতার ভাগ দিয়ে বউ সন্তানকে ভালোবেসে যায়।
★পৃথিবীতে অসংখ্য খারাপ পুরুষ আছে, অসংখ্য খারাপ জম্মদাতা ও আছে…
কিন্তু একটা ও খারাপ বাবা নেই তাই আমাদের উদ্দেশ‍্য হচ্ছে সেই সব পরিশ্রমী সত নিষ্টাবান অভিভাবকদের পাশে দাড়ানো তাদের বিপদে আপদে সবসময় প্রতিষ্টান তাদের পাশে থাকবে ইনশাহআল্লাহ

প্রতি মাসের পেকেজিং প্রডাক্ট ও পয়েন্ট এর বিবরণ

নিত্যপন্য                পরিমাণপয়েন্ট 
0.পেয়াজ৩ কেজি
1.   রসুন১ কেজি
2. হলুদ গুঢ়া২৫০ গ্রাম
3. মরিচ গুঢ়া২৫০ গ্রাম
4. জিরা১০০ গ্রাম
5. ওয়াসিং পাউঢার৫০০ গ্রাম
6. সাবান২ পিচ
7. চা পাতা২০০ গ্রাম
8. চিনি১ কেজি
10.লবন২ কেজি
11.ডাল১ কেজি
12.গুড়া দুধ২০০ গ্রাম
13.তৈল৫ লিটার
14.আটা৫কেজি
15.স্টিক নুডুলস ২ পেকেট
16.ছানাচুর৩০০গ্রাম
17.আদা২৫০ গ্রাম
18.এলাচি৫০ গ্রাম
19.দারচিলি১০০ গ্রাম
20.তেজপাতা ১০০গ্রাম
21.লং৫০ গ্রাম
22.গোল মরিচ৫০ গ্রাম
23.চিনিগুড়া ছাউল ১কেজি ১
24.ছাউল ২৫কেজি ১
25.টয়লেট টিসু ২পেকেট ১
   
   
ফ্রী হোম ডেলিভারি সার্ভিসটি সবার জন‍্য প্রযোজ‍্য নয় সদুমাত্র যারা আমাদের এই প্রতিষ্টানের সদস্য হবেন তারাই ফ্রী সার্ভিস সেবাটি পাবেন। আর বাকি সেবা গুলো পাওয়ার জন‍্য একজন সদস‍্য মাসে ত্রিশ পয়েন্ট হারে সর্বমোট ৩০০শত পয়েন্ট ওনার একাউন্টে যোগ করলেই সকল সেবার আওতায় আসবেন¡
Shopping Cart